রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

English

জেরুজালেম ইস্যুতে ওআইসি নীরব থাকতে পারে না: বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট

পোস্ট হয়েছে: ডিসেম্বর ১৪, ২০১৭ 

news-image

বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জেরুজালেম ইস্যুতে ওআইসি নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। বায়তুল মুকাদ্দাসকে (জেরুজালেম) ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে মার্কিন স্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে একটি সমন্বিত জবাবের সিদ্ধান্ত নিতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওআইসির জরুরি সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানিয়েছে, ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ষষ্ঠ বিশেষ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই বৈরী পদক্ষেপে ওআইসি দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। আমাদের অবশ্যই আল কুদস (জেরুজালেম) বিষয়ে এ পর্যন্ত গৃহীত ওআইসির বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে নিবিষ্টভাবে এগিয়ে যেতে হবে।’

প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন, ‘এই সম্মেলন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই জোরালো বার্তা পৌঁছে দেবে যে, আমরা ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকারের লড়াইয়ে তাদের পেছনে ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ এবং আমরা তাদের প্রয়োজনীয় সমর্থন ও শক্তি জোগাব।’

ওআইসির বর্তমান চেয়ার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে মুসলিম দেশগুলোকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করা উচিত বলে মন্তব্য করার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৬ ডিসেম্বর তারিখে মার্কিন ঘোষণা এবং তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর প্রক্রিয়া মুসলিম অনুভূতিকে আহত করেছে এবং ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। এছাড়া এটি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার জন্যও বিরাট হুমকির সৃষ্টি করেছে। এই সিদ্ধান্ত আরব-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়ার সৎমধ্যস্থতাকারী হিসেবে মার্কিন প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মক হ্রাস করেছে। রাষ্ট্রপতি একই সাথে ইসরাইলের গৃহীত নীতি-কৌশল ও পদক্ষেপসমূহ বন্ধ বাতিলের জন্য ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশেষ করে ওআইসির তাৎক্ষণিক ও সক্রিয় সম্পৃক্ততা কামনা করেন।

প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ একইসঙ্গে ইসরাইলের গৃহীত নীতি-কৌশল ও পদক্ষেপগুলো বাতিলের জন্য ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশেষ করে ওআইসির তাৎক্ষণিক ও সক্রিয় সম্পৃক্ততা কামনা করেন।