সোমবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

English

স্মরণীয় বাণী

পোস্ট হয়েছে: নভেম্বর ১০, ২০১৬ 

মহানবী (সা.) বলেন : আমি মূর্তিপূজা থেকে বিরত থাকার নির্দেশের পরে মানুষের সাথে বিবাদ থেকে দূরে থাকার মতো আর কোন বিষয়ে এত অধিক নির্দেশিত হই নি।

মহানবী (সা.) বলেন : মানুষের সাথে মানিয়ে চলা ঈমানের অর্ধাংশ। আর তাদের প্রতি নরম ব্যবহার হলো সুখী জীবনের অর্ধাংশ।

মহানবী (সা.) বলেন : যে ব্যক্তি না জেনে জনগণের মধ্যে ফতোয়া প্রদান করে তার ওপরে আসমান ও জমিনের ফেরেশতারা অভিসম্পাত বর্ষণ করেন।

ইমাম আলী (আ.) তাঁর পুত্র ইমাম হোসাইন (আ.)-কে উপদেশ দেন : প্রিয় পুত্র আমার! প্রত্যেকটি দুর্দশা যার পশ্চাতে বেহেশত থাকে, সেটা দুর্দশা নয়। আর প্রত্যেকটি আনন্দ যার পশ্চাতে দোযখ থাকে, তা আনন্দ নয়। বেহেশতের বিপরীতে যে কোনো নেয়ামতই নগণ্য। আর দোযখের বিপরীতে যে কোনো বিপদই হলো মুক্তি।

ইমাম আলী (আ.) বলেন : দুনিয়ায় নিরাসক্ত হলো সেই ব্যক্তি, হারাম যার ধৈর্যকে লুটে নিতে পারে না আর হালাল তাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ থেকে বিরত রাখতে পারে না।

ইমাম হাসান (আ.) বলেন : দোযখে যাওয়ার চেয়ে পৃথিবীতে অপমান বয়ে বেড়ানো সহজতর।

জনৈক ব্যক্তি ইমাম হোসাইন (আ.)-এর কাছে আল্লাহ্্র এ বাণীটির অর্থ জানতে চাইল : ‘আর তোমার প্রতিপালকের নেয়ামত নিয়ে কথা বল।’ ইমাম তাকে বললেন : আল্লাহ্্ তাঁকে দীনের যে নেয়ামত দান করেছেন সে বিষয়ে বর্ণনা করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ইমাম যায়নুল আবেদীন (আ.) বলেন : মিথ্যা ছোট হোক আর বড় হোক তা পরিহার করবে, রসিকতার ছলে হোক আর সত্যিকারেই হোক। কারণ, যে ছোট মিথ্যা বলে সে বড় মিথ্যা বলায় সাহসী হয়ে ওঠে।

ইমাম যায়নুল আবেদীন (আ.) বলেন : মহৎ ও বিনয়ী হওয়া ব্যতীত শুধু কুরাইশ বংশীয় বা আরব হওয়ার মধ্যে কোনো মর্যাদা নেই, তাকওয়ার অধিকারী হওয়া ব্যতীত কোনো সম্মান নেই, আর (সঠিক) নিয়ত ব্যতীত কোনো কর্মেরই মূল্য নেই, আর নিগুঢ় জ্ঞান ব্যতীত কোনো ইবাদত নেই। সাবধান! আল্লাহ্্র কাছে সবচেয়ে বিরাগভাজন ব্যক্তি হলো সেই ব্যক্তি যে নিজেকে কোনো ইমামের অনুসারী বলে মনে করে, অথচ তাঁর কর্মের অনুসরণ করে না।

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেন : কন্যারা হলো সৎকর্ম আর পুত্ররা হলো নেয়ামত। সৎকর্মের বিপরীতে সওয়াব দেওয়া হয় আর নেয়ামতের বিপরীতে জবাবদিহি করতে হয়।

ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেন : মুমিন হলো দুনিয়ায় প্রবাসী, এর লাঞ্ছনায় হতবিহ্বল হয় না আর এর সম্মানের জন্য লোকদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না।

ইমাম আলী ইবনে মূসা আর-রেযা (আ.) বলেন : কোনো বান্দাই প্রকৃতপক্ষে ঈমানের পূর্ণতায় পৌঁছতে পারবে না যতক্ষণ না তিনটি গুণের অধিকারী হবে : দীনে গভীর জ্ঞান, জীবন-জীবিকায় পরিমিতি এবং বিপদে ধৈর্যধারণ।

ইমাম রেযা (আ.)-কে বলা হলো : কেমনভাবে রাত কাটিয়েছেন? তিনি বললেন : প্রভাতে এ অবস্থায় প্রবেশ করেছি যখন আয়ু কমে গেছে, কৃতকর্ম লিপিবদ্ধ হয়েছে, মৃত্যু কাছে আর দোযখ আমাদের পশ্চাতে, যখন জানি না আমাদের কী হবে।

ইমাম হাসান আল-আসকারী (আ.) বলেন : যেসব গোনাহ ক্ষমা করা হয় না তার মধ্যে একটি হলো এরূপ বলা : ‘ইস্! যদি শুধু এটা (গুনাহ) সম্পর্কে জবাবদিহি না করতে হতো।’ অতঃপর ইমাম (আ.) বলেন : লোকদের মাঝে র্শিকের বিচরণ অন্ধকারাচ্ছন্ন রাতে কালো আবরণের ওপরে পিঁপড়ার নিঃশব্দ বিচরণের চাইতেও গোপনতর।