ক্যান্সার প্রতিরোধক সানস্ক্রিন তৈরি করছেন ইরানি গবেষক
পোস্ট হয়েছে: আগস্ট ১৭, ২০১৭

সূর্যের রশ্মিতে রয়েছে ইউভি-এ, ইউভি-বি, ইউভি-সি।যা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং ত্বকের নানা ধরনের ক্ষতি করে। সে কারণোই শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা- সব ঋতুতেই সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচাতে সানব্লক বা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা অতি জরুরি। কিন্তু অনেক সময় ক্ষতিকর সানস্ক্রিন ব্যবহারে ক্যান্সার সহ ত্বকের নানা ক্ষতি হতে দেখা গেছে। তাই এবার সানস্ক্রিনে ক্যান্সার প্রতিরোধক পদার্থ যুক্ত করে ত্বকের ক্যান্সার মোকাবেলার চেষ্টা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।
তাদের মতোই তেহরানের তারবিয়াত মোদাররেস ইউনিভার্সিটির ছাত্র আসামানেহ আশনগর এমন ধরনের একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন। তিনি ন্যানোপ্রযুক্তির মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধক পদার্থ নির্গমণে সক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিন তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছেন। যুক্ত করা ওই পদার্থ সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে।
প্রচলিত সানস্ক্রিনে জৈব এবং অ-জৈব বিষাক্ত পদার্থ এবং ক্যান্সার উৎপাদক পদার্থ রয়েছে উল্লেখ করে আসামানেহ বলেন, ‘এই প্রকল্পে আমরা ন্যানোপ্রযুক্তিতে তৈরি ক্যান্সার প্রতিরোধক অতিক্ষুদ্র পদার্থ সানস্ক্রিনে যুক্ত করতে কাজ করছি, যা সূর্যের অতিবেগুননি রশ্মি শোষণে এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করবে।
নতুন এই সানস্ক্রিনে ক্যান্সার প্রতিরোধক পদার্থ থাকবে যা ধীরে ধীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
উল্লেখ্য, ন্যানোপ্রযুক্তি (ন্যানোটেকনলজি বা সংক্ষেপে ন্যানোটেক) পদার্থকে আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করবার বিদ্যা। সাধারণত ন্যানোপ্রযুক্তি এমন সব কাঠামো নিয়ে কাজ করে যা অন্তত একটি মাত্রায় ১০০ ন্যানোমিটার থেকে ছোট। ন্যানোপ্রযুক্তি বহুমাত্রিক, এর সীমানা প্রচলিত সেমিকন্ডাকটর পদার্থবিদ্যা থেকে অত্যাধুনিক আণবিক স্বয়ং-সংশ্লেষণ প্রযুক্তি পর্যন্ত; আণবিক কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ থেকে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ন্যানোপদার্থের উদ্ভাবন পর্যন্ত বিস্তৃত। ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স, শক্তি উৎপাদনসহ বহু ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। – মেহের নিউজ।