শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

English

উন্মুক্ত সমুদ্রে ইরানের নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে ‘শহীদ রৌদাকি’

পোস্ট হয়েছে: জুলাই ২০, ২০২১ 

news-image
 সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের নৌবাহিনী বিভিন্ন ধরনের নৌযান, স্পিডবোট, মিসাইল লাঞ্চার, বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক ভ্যাসেলসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও ড্রোন উৎপাদনে পারদর্শিতা দেখাচ্ছে। ইরানের প্রতিরক্ষা দক্ষতার অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে শহীদ রৌদাকি যুদ্ধ জাহাজ। গত বছর ১৯ নভেম্বর এ যুদ্ধ জাহাজটি ইরানের নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ যুদ্ধজাহাজে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও হেলিকপ্টার বহন করা যায়। ভারত মহাসাগরে যুদ্ধ জাহাজটি ব্যবহার করা হবে। ইরানের বাণিজ্য জাহাজ ও তেলবাহী জাহাজে যাতে কোনো রকম হামলা না হয়, আটক না করা হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবে শহীদ রৌদাকি। একটি কার্গোশিপকে যুদ্ধ জাহাজে রূপান্তর করা হয়েছে এবং এ কাজটি বেশ সফলতার সঙ্গে করেছে ইরানের প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের দক্ষতার কারণে অনেক কম খরচে তা করা সম্ভব হয়েছে। ইতালির বাণিজ্য জাহাজ ‘গ্যালাক্সি এফ’র সামান্য কিছু রদবদল করে মাত্র তিন মাসের মধ্যে বন্দর আব্বাসের ন্যাভাল প্লান্টে এটিকে যুদ্ধ জাহাজে রূপান্তর করা হয়েছে।

দেড়শ মিটার লম্বা ও ২২ মিটার চওড়া এ জাহাজটির বহন ক্ষমতা ১২ হাজার টন। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৪ নট বা ২৬ কিলোমিটার বেগে জাহাজটি চলবে। সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্যে এটির পাটাতন পরিবর্তন করা হয়েছে। এ জাহাজ থেকে সামরিক যান ওঠা নামা করতে পারবে। জাহাজটি থেকে স্থলে সামরিক অভিযানে সহায়তা করা যাবে। এটি গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা ছাড়াও ইরানের আরেক যুদ্ধ জাহাজ ‘সাভিজ’এর মত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারবে। জাহাজটি থেকে অন্য জাহাজে উপকরণ, পানি, জালানি তেল ও খাদ্য সরবরাহ করা যাবে। ক্রেন ছাড়াই বিভিন্ন যানকে জাহাজে ওঠা নামা করানো এ জাহাজটির আরেক নির্মাণ কৌশল। ইরান প্রেস