রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

English

ইরানে আজ প্রকৃতি দিবস; বিশ্বের বৃহত্তম পারিবারিক পিকনিক

পোস্ট হয়েছে: এপ্রিল ২, ২০২৫ 

news-image

আজ, বুধবার (২ এপ্রিল), ইরানের সরকারি ক্যালেন্ডারে ফার্সি ফরভারদিন মাসের ১৩তম দিনটি প্রকৃতি দিবস।নববর্ষের এ দিনে, ইরানি জনগণ, একটি ভালো এবং মহৎ ঐতিহ্য অনুসারে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে তাদের পরিবার এবং প্রিয়জনদের সাথে একটি আনন্দময় এবং স্মরণীয় দিন কাটাতে প্রকৃতির কাছে যান।

প্রতি বছর ১৩ তারিখ ফারভারদিন নওরোজের ছুটির শেষ দিন, যাকে “সিজদাহ বেদার” বলা হয়। বছরের বারো মাস উদযাপনের বারো দিনের উৎসব ও আনন্দের পর, প্রাচীন ইরানীরা নওরোজের ১৩তম দিনে বিভিন্ন অরণ্য ও মরুপ্রাস্তরে যেত ছুটির শেষ দিনটি প্রকৃতির মাঝে, সবুজ, গাছপালা এবং ঝর্ণা ও স্রোতের প্রবাহমান জলের পাশে সময় কাটাতে।


ইরানে নওরোজের শেষ দিনটিকে “সিজদাহ বেদার” বলা হয়

ইরানের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতিকে সম্মান করে আসছে এবং তারা এই প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পরিষ্কার করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। নওরোজের ত্রয়োদশ দিনে ইরানি শোভাযাত্রা বিশ্বের বৃহত্তম পারিবারিক পিকনিক এবং এই দিনে বিশেষ উদযাপন এবং আচার-অনুষ্ঠান পালনের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক রীতি রয়েছে।


ইরানের সিজদাহ বেদার বিশ্বের বৃহত্তম পিকনিক

ঐতিহাসিক যুগে ইরানের জনগণ নওরোজকে সৃষ্টির উদযাপন এবং অস্তিত্বের সূচনা বলে মনে করত এবং ফরভারদিনের ১৩ তারিখে এর সমাপ্তি বলে মনে করত। এই দিনটি ইরানিদের জন্য খুবই আনন্দের এবং শুভ।

ইরানীরা নওরোজের ত্রয়োদশ দিন উদযাপনকে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি অনুষ্ঠান হিসেবেও বিবেচনা করে এবং তারা প্রকৃতির জীবন্ত হয়ে ওঠা দেখাকে পুনরুত্থানের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করে।

ইরানি উপজাতিদের এই দিনে তাদের আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং রীতিনীতি অনুসারে বিশেষ আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মাসের ১৩তম দিনের আচার-অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে ১৩দিন ধরে সংরক্ষিত ঘাস বা সাবজে পানিতে ফেলে দেয়। / পার্সটুডে/