ইরানের নৌবহরে যুক্ত হলো ‘দামাভান্দ’ ডেস্ট্রয়ার
পোস্ট হয়েছে: মার্চ ১১, ২০১৫

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবহরে যুক্ত হয়েছে আরেকটি ডেস্ট্রয়ার। আজ ইরানের উত্তরে কাস্পিয়ান সাগরে দামাভান্দ নামের এ ডেস্ট্রয়ারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ডেস্ট্রয়ারটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক রাডার ও গোয়েন্দা নজরদারির ব্যবস্থা। কাস্পিয়ান সাগরে ইরানের নৌবন্দর আনজালিতে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটিকে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন দেহকান এবং নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়্যারি।
অনুষ্ঠানে আলী শামখানি কাস্পিয়ান সাগরকে শান্তি ও বন্ধুত্বের সাগর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ সাগরের জ্বালানী নিরাপত্তা রক্ষায় ইরান অনন্য অবদান রাখছে।
বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ হিসেবে পরিচিত কাস্পিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত দেশগুলো হচ্ছে কাজাখস্তান, রাশিয়া, আজারবাইজান, ইরান ও তুর্কমেনিস্তান। এ দেশগুলো কাস্পিয়ান সাগরের জলজ ও জ্বালানী সম্পদের অংশীদার।
দামাভান্দের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল সাইয়্যারি বলেন, এর আগে ইরানে তৈরি জামারান শ্রেণীর ডেস্ট্রয়ার দামাভান্দে আরো উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়েছে।
ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম ডেস্ট্রয়ার জামারানে রয়েছে আধুনিক রাডার এবং অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সামগ্রী। এটি ১২০ থেকে ১৪০ জন সৈন্য এবং বিভিন্ন ধরনের জাহাজ ও বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম। ডেস্ট্রয়ারটিতে একটি হেলিপ্যাডও রয়েছে। এছাড়া, ইরানের তৈরি এই ডেষ্ট্রয়ারটিকে টর্পেডো ও আধুনিক নৌ কামানেও সজ্জিত করা হয়েছে।
রেডিও তেহরান, ৯ মার্চ, ২০১৫